আন্তর্জাতিক টপ নিউজ

মহাকাশের পথে প্রথম প্রাইভেট রকেটের যাত্রা

মহাকাশের পথে প্রথম প্রাইভেট রকেটের যাত্রা শুরু হলো। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেনেডি স্পেস সেন্টার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা থেকে স্পেস এক্স’র এই রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়।

এর আগে গত বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে অ্যাস্ট্রো-বেনকেন ও অ্যাস্ট্রো-হার্লে নামের নাসার দুই নভোচারীকে মহাকাশে পাঠানোর কথা ছিল স্পেস এক্স’র। তবে বৃষ্টির কারণে সেটি আর হয়ে ওঠেনি।

গত ৯ বছর ধরে নাসার নভোচারীরা মহাকাশে যাওয়ার জন্য রাশিয়ার মহাকাশযান ব্যবহার করেছে। প্রায় এক দশক পর নিজেদের মাটি থেকে নিজদের রকেটে চড়ে মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল মার্কিন নভোচারীদের কাছে।

এতদিন নাসার রকেট দিয়ে মহাকাশে নভোচারী প্রেরণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার নাসার পাশপাশি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা স্পেস এক্স মহাকাশে মানুষ পাঠিয়ে সেই ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে। তবে এই যাত্রায় স্পেস এক্সকে সহায়তা করছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

Advertisements

স্পেস এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিস কর্প তথা স্পেস এক্সের পথ চলা সেই ২০০২ সাল থেকে। প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। ক্যালোফোর্নিয়ার এই বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসক্রাফ্ট এবং রকেট বানানোর জন্য বিখ্যাত। মহাকাশযান তৈরি করলেও, মহাকাশ অভিযানে রকেট পাঠানোর সুযোগ কয়েকবারই হয়েছে স্পেস এক্স সেন্টারের। প্রথমবার ২০০৮ সালে পৃথিবীর কক্ষে ফ্যালকন ১ রকেট পাঠিয়েছিল স্পেস এক্স। সেটাই ছিলপ্রথম মহাকাশ মিশন। ২০১০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন স্পেসক্রাফ্ট মহাকাশে পাঠিয়েছিল তারা। এরপরে ২০১৫,২০১৭ সালে ফ্যালকন ৯ রকেট পাক খেয়েছে পৃথিবীর কক্ষে। ২০১১ সালে প্রথমবার নভশ্চর নিয়ে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে নামে স্পেস এক্সের ড্রাগন স্পেসক্রাফ্ট। তারপর থেকে দীর্ঘ সময়ের বিরতি। ৯ বছর পরে নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফের আইএসএস-এ নভোচারী পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করে দেয় স্পেস এক্স।

Drop your comments:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Pin It on Pinterest