আবেগ-বিবেকের সাতকাহন!

এই লেখাটি 5540 বার পঠিত

tohorগোলাম মাওলা রনি : ইদানীং যে দেশে কী হলো- কিছুই বুঝতে পারছি না! একের পর এক আজব ঘটনা ঘটছে আর সবাইকে তাজ্জব করে দিচ্ছে। ঘটনার আকস্মিকতায় লোকজন আবেগতাড়িত হয়ে প্রচন্ড বেগে ছোটাছুটি করছে। এত্তসব হৈ-হুলোড় আর ছোটাছুটির তান্ডবে মানুষের বিবেক বেদনাহত হয়ে মন-মস্তিষ্ক ত্যাগ করে ঊর্ধ্বলোকে আশ্রয় নিচ্ছে। ফলে বিবেকহীন চঞ্চল মানুষের পদভারে বাংলার জমিন বিশাল এক আজব ভূখন্ডে পরিণত হয়েছে। এটা এমন একটি জায়গা, যেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের ৪২ বছর পর দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ হয়। এই ভূভূখন্ড একে খন্দকার নামের এক বয়োবৃদ্ধ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বই লেখেন আর তা কেনার জন্য মুক্তিযোদ্ধা, রাজাকার, দ্বিতীয় ধাপের মুক্তিযোদ্ধার দল এবং নব্যরাজাকাররা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এ দেশে এক বাচ্চু হয় রাজাকার এবং অপর বাচ্চু হয় মহান সম্পাদক আর হাল আমলের গোলাম মাওলা রনি হয় কলাম লেখক। বড়ই অদ্ভুত! বড়ই তাজ্জব আর বড়ই আজব ঘটনা!

প্রথম শুনলাম ১৯৫২ সাল থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি রচনা হয়েছিল। সেই পটভূমির প্রথম উপাখ্যান ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন এবং বিপুল বিজয়। তারপর ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নসাধ-১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পূর্ণতা পায়। আমরা একজন শেখ মুজিবুর রহমানের বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার কাহিনি জানলাম। আবার সেই বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হওয়ার কাহিনিও জানলাম। নেতৃবৃন্দ বললেন, ৩০ লাখ শহীদ হয়েছে এবং ২ লাখ মহিলা ধর্ষিত হয়েছে। আমাদের আবেগ বড়ই তাজ্জব হয়ে ওঠে একটু টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করল না। একটি ছোট প্রশ্নও কেউ কোনো দিন তুলল না বা জিজ্ঞাসা করল না আচ্ছা! একেবারে সমান সমান ৩০ লাখ বা ২ লাখ সংখ্যাটি কীভাবে মিলল। একজন কম বা বেশি কেন হলো না?

১৯৭২-৭৩ সালে আমাদের বিবেক যদি ছোট্র ওই প্রশ্নটি উত্থাপন করতে পারত তবে ১৯৮০ সালের পর হঠাৎ করে স্বাধীনতার ঘোষকের দাবি উঠত না। ২০১৪ সালে এসে একে খন্দকার লিখতেন না বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা চাননি কিংবা সেই সময়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে কোনো রকম প্রস্তুতি ছিল না। আমরা যদি রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা এবং কলকাতাকেন্দ্রিক মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা করতে পারতাম তাহলে জহির রায়হানের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে নানারকম আজব কথা শুনতে হতো না। এই অদ্ভুত দেশে একশ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা আছেন যাদের যুদ্ধের সময় বয়স ছিল মাত্র ৭-৮ বছর। আমার বড় আফসোস হয় কেন আমি নিজেকে ওদের মতো মুক্তিযোদ্ধা বললাম না। এমন কথা বলতেই আমার এক বন্ধু রাগ হয়ে বলল, তুমি আবার কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা হবে? আমি বললাম কেন হতে পারব না? ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে আমি আকাশ দিয়ে অনেক পাকিস্তানি এবং ভারতীয় যুদ্ধবিমান উড়ে যেতে দেখেছি। বিমান দেখলেই আমরা দল বেঁধে কোনো জঙ্গলে পালিয়েছি এবং কিছুক্ষণ পর বের হয়ে স্লোগান দিয়েছি ইলশা মাছের বিল্শা কাঁটা, বোয়াল মাছের দাড়ি আইয়ুব খান ভিক্ষা করে শেখ মুজিবের বাড়ি। অন্যদিকে কিছু পোলাপান স্লোগান দিত দাড়ি ফ্যালাইয়া রাখছে মোচ, তারে বলে মুক্তিফৌজ। মোচ ফ্যালাইয়া রাখছে দাড়ি, তারে বলে মিলিটারি। আমরা দল বেঁধে লাঠিসোটা নিয়ে ওইসব মোচ-দাড়ি নিয়ে স্লোগান দেওয়া পোলাপানের সঙ্গে অনেকবার মারামারি করেছি। তাহলে আমি কেন মুক্তিযোদ্ধা হব না! আমার বন্ধুটি হেসে আমার দিকে এমনভাবে তাকাল তাতে মনে হলো ও আমাকে ভদ্রতা করে বলছে না যে আমি একটা বদ্ধ উন্মাদ!

আমার পোড়া মনের যে কখন কী হয় তা বলে বোঝাতে পারব না। চারদিকের আজব আজব সব ঘটনা দেখার পর প্রায়ই নির্বাক হয়ে বসে থাকি। মানুষ একজনকে বড় করতে গিয়ে নিজেকে যে কতটা নিচে নামাতে পারে তা সাম্প্রতিককালে রাজনীতির ময়দানের ভাঁড়দের কর্মকান্ড দেখলেই বোঝা যায়। কে যেন একজন সাক্ষ্য দিল প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নাকি একটি তেলের ড্রামের ওপর দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ইদানীংকালে বলা হচ্ছে জিয়াউর রহমানই হলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে দেশের প্রথম ঘোষিত রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুকে পুরো মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা সংগ্রামের সব দৃশ্যপট থেকে বাদ দেওয়ার সব আয়োজন যখন নিষ্পন্নের পথে তখন বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা সেই ১৯৬৮ মডেলের বক্তৃতা-বিবৃতির মধ্যেই নিজেদের কর্মপরিধি, দায়িত্ব এবং কর্তব্য পালন করে যাচ্ছেন।

আওয়ামী লীগবিরোধীরা কতটা প্রস্তুতি নিয়ে তাদের প্রতিপক্ষের মুখে চুনকালি মাখার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে তার একটি নমুনা দেখতে পেলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কথাবার্তার মাধ্যমে। তারা একটি প্রকল্প নিয়ে বহুদিন ধরে কাজ করছে এবং প্রকল্পের কাজও নাকি অনেকদূর এগিয়ে গেছে। বহু অর্থ ব্যয় করে এবং বহু লোকের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রকল্পের কর্তাব্যক্তিরা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের সব উপজেলায় মোট কতজন লোক মারা গিয়েছিল তার একটি পরিসংখ্যান তৈরি করছে। এই পরিসংখ্যানে তারা দেখাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রতিটি থানা, জেলা, বিভাগে এবং পুরো দেশে মোট কতজন লোক স্বাভাবিকভাবে মারা গেছে। এরপর কতজন লোক দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা কিংবা অসুখ-বিসুখে মারা গেছে। তারপর বের করা হচ্ছে কতজন মানুষ যুদ্ধে প্রতিপক্ষের হাতে মারা গেছে এবং মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে কতজন মুক্তিযোদ্ধা এবং কতজন রাজাকার। এর বাইরে পাকিস্তানি সৈন্য এবং ভারতীয় সৈন্যদের নিহত হওয়ার সংখ্যাও তারা বের করবে। প্রতিটি থানাওয়ারি যুদ্ধের হতাহতের সংখ্যা নির্ধারণ করতে গিয়ে তারা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে ক) যুদ্ধ কাদের সঙ্গে সংঘটিত হয়েছিল। খ) কয়টি ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করেছে গ) কয়টি ক্ষেত্রে রাজাকার, আলবদর কিংবা আলশামসের সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছে ঘ) কয়টি ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের মধ্যে অন্তর্ঘাতে জড়িয়ে গোলাগুলি করে হতাহতের ঘটনা ঘটিয়েছে ঙ) কোথায় কোথায় ভারতীয় সৈন্য এবং পাকসেনারা সরাসরি যুদ্ধ করেছে?

আওয়ামীবিরোধীরা যখন কোমরে গামছা বেঁধে উপরোক্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে নেমে পড়েছে, তখন বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা কী করছে? তারা কিছুই করছে না কেবল গালাগালি ছাড়া। আগামী দিনগুলোতে যখন তাদের সম্মানজনক ইতিহাস এবং ঐতিহ্য মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য একপক্ষ তথ্যপ্রমাণ সহকারে লিখিত দলিলপত্র ও সাক্ষীসাবুত নিয়ে উদয় হবে তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক ও বাহকরা যদি কেবল হুমকি-ধমকি কিংবা গালাগালির মধ্যেই তাদের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ রাখেন তবে আমি নিশ্চিত আওয়ামী লীগের জন্য তা মোটেই সুখকর হবে না। ২০১০ সালে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার যেদিন উপরোক্ত বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে সরকারের কাছে দাবি জানালেন থানাওয়ারি হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করার জন্য সেদিন সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা শতমুখে গালাগালি করে তার চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করল। ওইদিনের পর সরকার জমিরউদ্দিন সাহেবের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ ধর্ষিতার হিসাব মেলানোর পদক্ষেপ না নিলেও সরকারবিরোধীরা ঠিকই তাদের তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে। তারা সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে যাতে ইতিহাস প্রসিদ্ধ সংখ্যা দুটির হিসেবে কোনো গরমিল ঢুকিয়ে দেওয়া যায়।

মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা নিয়ে বিরোধী পক্ষের তৎপরতা যখন সাংঘাতিক পর্যায়ে তখন সরকারি পক্ষের লোকজন ব্যস্ত সোনা চুরির দায় কার ওপর কীভাবে চাপানো যায়। এই বঙ্গে আমরা অনেক ন্যক্কারজনক চুরিচামারির কথা শুনেছি। চোর জামাই অনেক কৌশলে নিজের পরিচয় গোপন করে ভিন গ্রামে এসে বিয়ে থা করে সুখের সংসার পাতে। তারপর ২-১টা সন্তান-সন্ততির পিতাও হয়। সংসারে স্ত্রী-সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির আদরযত্ন পেয়ে অতিশয় সুখের আবেশে লোকটির হঠাৎ মনে হয় আরে! আমি তো এক সময় চোর ছিলাম! ফলে চুরি করার পুরনো অভ্যাস হঠাৎ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। সে পাগল হয়ে যায় চুরি করার জন্য। অবশেষে একদিন গভীর রাতে সে চুরি করে আপন শ্বশুরালয়ে। সোনা, দানা, টাকা-পয়সা সবকিছু নিয়ে লম্পট চোর চম্পট দেওয়ার আগে ঘুমন্ত স্ত্রীর সামনে দাঁড়ায়। তারপর অতি সযতনে স্ত্রীর সিঁথির সিঁদুর মুছে দেয় এবং হাতের শাঁখা খুলে নেয়। সকালবেলা সিঁদুরহারা রমণীর আর্তচিৎকারে সারা গ্রামের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠত। ছোটবেলায় দাদির কাছে শুয়ে শুয়ে যখন ওই সব নির্মম ও নিষ্ঠুর চুরির গল্প শুনতাম তখন নিজের অজান্তে চোখের পানিতে বালিশ ভিজে যেত।

কিশোর বয়সে আরও কিছু দুষ্ট দুষ্ট চুরি কিংবা ডাকাতির কথা শুনতাম। গ্রামের দাদা সম্পর্কীয় ফাজিল লোকরা পড়ন্ত বিকালে খেলার মাঠের এক কোণে বসে আমাদের মতো কিশোরদের ওই সব বাজে গল্প শোনাত। চোর বা ডাকাত বিয়ে করেছে ভিনগ্রামে। বিয়ের পর দেখল শ্যালিকাটি অতীব সুন্দরী। তাছাড়া শ্বশুরবাড়ির আরও ২-১ জন বিবাহিত অথচ তরুণী সুন্দরী আত্মীয়দের দিকে চেয়ে ডাকাতদের বদনজর পড়ল। তারপর কোনো এক শীতের রাতে চোর এল সতী নারীর সতীত্ব চুরি করার জন্য। কিংবা ডাকাতরা যেত বর্ষাকালে। দল বেঁধে ডাকাতির বেশে নারীর সর্বস্ব লুট করার জন্য। এসব নির্মম গল্প শোনার পর কোমল হৃদয়ের কিশোররা কাঁদত আর শয়তান প্রকৃতির লোকরা আদিম বন্যতার কৃত্রিম স্বাদ লেহন করত মনে মনে।

আবহমান বাংলার হাজার বছরের চুরিচামারির ইতিহাসের বর্ণিল, রূপ, রস, গন্ধ এবং নির্মম নিষ্ঠুরতা ম্লান হয়ে গেছে সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সোনা চুরির কেলেঙ্কারির কাছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে যেসব প্রতিথযশা বিদেশি বন্ধু আমাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, তাদের সরকার সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর চেয়ে মহৎ উদ্যোগ আর কী হতে পারে! সরকার সিদ্ধান্ত নেয় প্রত্যেক নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা বিদেশি বন্ধুকে একটি সোনার ক্রেস্ট এবং নগদ অর্থ প্রদান করবে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। সারা দেশে সরকারের এই কর্মকান্ড ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয় এবং আবেগি বাঙালির হৃদয়ের গভীরতম প্রদেশে ব্যাপকভাবে মুক্তিযুদ্ধের দামামা নতুন করে বেজে ওঠে। কিন্তু সেই আবেগ কিছুদিন পরই চরমভাবে অপমানিত এবং লাঞ্ছিত হতে থাকে। জানা গেল সম্মানিত পদক প্রাপ্তদের যে ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে তা পুরোটাই নকল। এক রত্তি সোনাও নেই। নকল সোনার ক্রেস্ট দিয়ে আমাদের চোররা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে চরমভাবে ধর্ষণ করে গেল আবহমান বাংলার সেই বর্ষাকালের ডাকাতদের মতো।

আজ যদি বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকতেন তাহলে হয়তো বলতেন দেখে যাও। আমি যে চোরের খনি পেয়েছি সেই খনির স্বর্ণ সন্তানরা কত সুন্দরভাবে স্বর্ণ চুরির নির্মমতা অর্জন করেছে। যদি কবিগুরু জীবিত থাকতেন তাহলে হয়তো বঙ্গমাতা কবিতায় নতুন করে দুটি লাইন যোগ করে বলতেন হে সতের কোটি সন্তানের মুগ্ধ জননী, এত সুধা দিয়ে তব কি করিলে হায়! সাধু সেজে তোমার সন্তানেরা আজ দেবালয়ে যায়। দেবীর স্বর্ণসজ্জা লুটিবার পরে, মাতঃ বলে ডাক দিয়ে বস্ত্র হরণ করে!

বিশেষ প্রতিবেদন



Contact us

E-mail: news@banglaexpress.ae(For News)
advt@banglaexpress.ae(For Ad)

Carrier

Text to Speech is becoming more and more wide spread in applications, mobile or not. This technology allows interaction of the application with the user on a much more personal level.

Join us

Copyright © Bangla Express 2015
Design & Development By: