ফাইনালে টস হেরে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান

এই লেখাটি 875 বার পঠিত

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের কথা কারোরই ভোলার কথা নয়। মুহূর্তে মুহূর্তে রং পাল্টানো ম্যাচটা সবারই হৃদস্পন্দন অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছিল। ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট লড়াই মানেই ধ্রুপদি ব্যাটিং ও অনন্যসাধারণ বোলিং দক্ষতার প্রদর্শনী। আজও তেমনই কিছু দেখার প্রত্যাশায় রয়েছে ক্রিকেটবিশ্ব। লন্ডনের কেনিংটন ওভালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে মাঠে নামছে ফেভারিট ভারত ও আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তান। বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হচ্ছে ম্যাচটি।

ফাইনালে টসভাগ্যটা গেছে বিরাট কোহলির পক্ষে। টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। সেমিফাইনালের দল নিয়েই ফাইনালেও খেলছে ভারত। যার অর্থ, অশ্বিন খেলছেন ভারতের হয়ে। ফাইনালে একটি পরিবর্তন নিয়ে খেলছে পাকিস্তান। মোহাম্মদ আমিরকে ফিরিয়েছে দলটি।

অল এশিয়ান ফাইনালের শিরোপা যেই জিতকু না কেন, লড়াইটা যে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের সঙ্গে পাকিস্তানের পেস অ্যাটাকের হবে, সেটা হয়তো না বললেও চলে। পরিসংখ্যানই বলছে এমন কথা। এবারের আসরে দুর্দান্ত ব্যাটিং করছেন শিখর ধাওয়ান, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। এই তিন ব্যাটসম্যান মিলে সংগ্রহ করেছেন ৮৭৪ রান, যা পাকিস্তানের পুরো টুর্নামেন্টে মোট রানের চেয়েও বেশি। চার ম্যাচে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ৭৯.২৯ গড়ে ৩১৭ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান। সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে অপরাজিত ১২৩ রানে বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ধাওয়ানের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন রোহিত শর্মা। চার ম্যাচে ১০১.৩৩ গড়ে রোহিত শর্মার রান ৩০৪। চার ম্যাচে কোহলির রান সংখ্যা ২৫৩। এখন পর্যন্ত কেবল এক ম্যাচে ভারত অধিনায়ককে আউট করতে পেরেছেন প্রতিপক্ষের বোলাররা।

বল হাতে বরাবরের মতো আলো ছড়িয়েছেন পাকিস্তানের বোলাররা। টুর্নামেন্টে মোট ৩১টি উইকেট শিকার করেছেন দেশটির বোলাররা, যার মধ্যে ১৭টি উইকেটই নিয়েছেন হাসান আলি ও জুনায়েদ খান। ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বেধড়ক মার খাওয়ার পর বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছেন পাকিস্তানের বোলাররা। শেষ তিন ম্যাচে পাকিস্তানের বোলিং গড় ২৩.৭৮! এই তিন ম্যাচে মাত্র ৪.৪৬ গড়ে ২৮ উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানের বোলাররা।

ফাইনালের আগে ‘ফাইনাল’ শব্দটাই মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেছেন বিরাট কোহলি। জানালেন, আর দশটা ম্যাচের মতো ফাইনালেও জয়ের জন্য খেলবে তাঁর দল। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে কোহলি বলেন, ‘আর অন্য ম্যাচের মতো এটিও একটি ম্যাচ। বেশি ভাবার কিছু নেই। অন্যদিনের মতো আজও অনুশীলন করেছি আমরা। খুব বেশি চাপ নিচ্ছি না। ফলাফল নিয়ে কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবে না। এই ম্যাচের পরেও অনেক ম্যাচ খেলতে হবে আমাদের।’

ফাইনালের চাপ নিতে নারাজ পাক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদও। তিনি বলেন, ‘ভালো খেলে ফাইনালে এসেছি আমরা। এটা ফাইনাল ম্যাচ হলেও অন্য নকআউট ম্যাচগুলোর মতোই। বেশি চাপ নিলে পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়বে। তাই কোনোরকমের চাপ নিচ্ছি না।’

বিশেষ প্রতিবেদন



Contact us

E-mail: news@banglaexpress.ae(For News)
advt@banglaexpress.ae(For Ad)

Carrier

Text to Speech is becoming more and more wide spread in applications, mobile or not. This technology allows interaction of the application with the user on a much more personal level.

Join us

Copyright © Bangla Express 2015
Design & Development By: