ঢাবি সিনেট নির্বাচন, মাকসুদ কামালদের প্যানেল বাতিল

এই লেখাটি 190 বার পঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেট নির্বাচনে অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামালদের প্যানেলের সবার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাকসুদ কামালের নেতৃত্বাধীন ওই প্যানেলটি নিজেদের নীল দলের প্যানেল দাবি করে মনোনয়ন জমা দিয়েছিল।

আজ মঙ্গলবার ওই প্যানেলের মনোনয়ন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দলের পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার দুই প্যানেল সিনেটে ৩৫ জন করে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। নীল দলের আহ্বায়ক ড. নাজমা শাহীনের নেতৃত্বে একটি প্যানেলের পাশাপাশি মাকসুদ কামালের নেতৃত্বাধীন একটি প্যানেলও মনোনয়ন জমা দেন। গত রোববার নীল দলের আহ্বায়ক ড. নাজমা শাহীনের নেতৃত্বাধীন প্যানেল মাকসুদ কামালের প্যানেলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করে।

নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নীল দলের পক্ষ থেকে স্বতন্ত্র নীল দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। আমরা সেটা খতিয়ে দেখি। পরে অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়েছি। তাই ওই দলটিকে বাতিল করা হয়েছে।’

কী কী অভিযোগে মাকসুদ কামালের নেতৃত্বাধীন প্যানেলটিকে বাতিল করা হয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিনিষেধের কারণে নির্দিষ্ট করে বলেননি কামাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দল ওই প্যানেলে বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছিল, তা সত্য হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনানুযায়ী দলটিকে বাতিল করা হয়েছে।’

আওয়ামী লীগ সমর্থিত নীল দল অর্থাৎ নাজমা শাহীনের নেতৃত্বাধীন প্যানেলে অভিযোগ ছিল যে, ‘নীল দলের প্রার্থী ব্যতিরেকে অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় নীলকাগজ ব্যবহার করতে পারবে না। এই প্যানেলের সঙ্গে নীল দলের কোনো রকম সম্পর্ক নেই। বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার কৌশল স্বরূপ নব্য এই স্বতন্ত্র প্যানেলের আবির্ভাব ঘটেছে। যারা নিজেদের নীল দল বলে দাবি করছে।’

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নীল দল একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি হিসেবে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে এ দলের ভূমিকা অপরিসীম। দীর্ঘদিন নীল দলের নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড প্রচার-প্রচারণায় নীল কাগজ ব্যবহার করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন সিনেট নির্বাচনেও নীল কাগজে তাদের প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু কতিপয় শিক্ষক এ নির্বাচনে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে নিজেদের প্রচার-প্রচারণায় নীল কাগজ ব্যবহার করে আমাদের ঐতিহ্যগত গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন করছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে যা আমাদের নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।’

এ বিষয়ে জানতে অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালকে একাধিকবার ফোন করা হয়। তবে তাঁর ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ওই প্যানেলের অন্যতম সিনেট প্রতিনিধি প্রার্থী ও নীল দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিমের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন ধরে জানান, তিনি ব্যস্ত। এ বলেই ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নীল দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আশা করি তাঁরা আমাদের সঙ্গে থাকবেন এবং  নীল দলের প্যানেলকে জয়যুক্ত করতে তাঁরা তাঁদের ভূমিকা পালন করবেন।’

বিশেষ প্রতিবেদন



Contact us

E-mail: news@banglaexpress.ae(For News)
advt@banglaexpress.ae(For Ad)

Carrier

Text to Speech is becoming more and more wide spread in applications, mobile or not. This technology allows interaction of the application with the user on a much more personal level.

Join us

Copyright © Bangla Express 2015
Design & Development By: